০১:১৯ এএম | টাঙ্গাইল, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯
প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া

নিরাপত্তা সংকটে মাভাবিপ্রবি, ঘটছে নানা অঘটন

শাহরিয়ার সৈকত | টাঙ্গাইল২৪.কম | সোমবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৭ | | ৩৮৪
, টাঙ্গাইল :

প্রতিষ্ঠার ১৮ বছর অতিক্রম করলেও জোড়দার হয়নি মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রায় সাড়ে পাচ হাজার শিক্ষার্থীর বিশ^বিদ্যালয় ক্যাম্পাসটি রয়েছে সম্পূর্ন অরক্ষিত অবস্থায়। ফলে নানা সময়েই ঘটছে নানা অঘটন।

তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দাবি সমস্যা সমাধানে উদ্যেগ গ্রহন করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিচ্ছিন্নভাবে প্রায় ৫৭ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত বিশ^বিদ্যালয়ে রযেছে ৫টি গেট, ৩টি একাডেমিক ভবন, ৫টি হল, প্রশাসনিক ভবন, ভিসির বাসভবন, অতিথি ভবন, ক্যাফেটেরিয়া, শিক্ষক-কর্মকর্তা ডরমেটরী এবং ৩য়-৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী ডরমেটরী।

এছাড়াও বিশ^বিদ্যালয়ের ভিতরে রয়েছে ভাসানীর মাজার, ৫টি পাবলিক রাস্তা, ২টি প্রাইমারী স্কুল, ২টি হাইস্কুল, ১টি কলেজ, ১টি কেজি স্কুল, ১টি হেফজ খানা এবং ১টি স্থানীয় মন্দির। বিশ^বিদ্যালয়ের পাশেই সন্তোষ বাজার অবস্থিত হওয়ায় এলাকার জনগণ বিশ^বিদ্যালয়ের রাস্তাগুলো ব্যবহার করে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনুকরন করতে গিয়ে তৈরি করে নানা বিশৃঙ্খলা।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, তিন বছর আগে শুরু করা সীমানার প্রাচীর নির্মাণ ব্যয় প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা হলেও প্রাচীরগুলো এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে যার নিচ দিয়ে যে কেও অনায়াসে বিনা বাধায় যাতায়াত করতে পারে।

তারা আরো অভিযোগ করেন, অরক্ষিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই বহিরাগত সন্ত্রাসী হামলার স্বীকার হয় এবং ঘটে চুরির ঘটনা।

গত ১২ এপ্রিল বহিরাগত হামলার স্বীকার হয় গণিত বিভাগের রাগিব আলম রানা এবং এরপর ২ অক্টোবর রসায়ন বিভাগের মোখলেছুর রহমান মুহিত। এছাড়াও সম্প্রতি ৩টি পানি তোলা মটর, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান হলে ৫৬টি ফ্যান, ভিসির বাসভবন সহ বিভিন্ন স্থাপনায় চুরির ঘটনা ঘটে।

এত সমস্যার মাঝে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রহরী মাত্র ৩০ জন যেখানে প্রহরী প্রয়োজন নূন্যতম ৭৫ জন। ৮ ঘন্টার রুটিন ডিউটিতে ৬ জন নিরাপত্তা প্রহরীকে অভার টাইম করালেও বিভিন্ন জায়গা থেকে যায় নিরাপত্তা প্রহরী শূন্য।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নিরাপত্তা প্রহরী বলেন, নিরাপত্তা প্রহরী কম হওয়ায় অভার টাইম অনেকটাই আমাদের উপর জোড় করেই চাপিয়ে দেয়া হয়। যেখানে অন্যান্য বিশ^বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রহরী অভার টাইম পায় ৪০০-৫০০ টাকা, আমরা পাই ১৪৪ টাকা।

স্থানীয় জনগণের জন্য ডাইভারশন রাস্তা নির্মাণ, নিরাপত্তা প্রহরী বাড়ানো এবং বিশ^বিদ্যালয়ের ভিতরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর স্থানান্তর করলে নিরাপত্তা সমস্যা সমাধান করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে দ্রæত নিরাপত্তা সমাস্যার সমাধানের দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ^বিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা ডাইভারশন রাস্তার পরিকল্পনা করেছি। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে ৩০ জন আনসারের চাহিদা দিয়েছি, এখনও অনুমোদন হয়নি, বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

ফতেপুর উপ স্বাস্থ্য কেন্দ্র থাকতেও নেই ডাক্তার সেচ্ছাসেবক দলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে কলেজ ছাত্র নিখোঁজ যুবক খুন , গৃহবধু আটক ব্যবসায়ীকে হত্যার চেষ্টা;থানায় অভিযোগ নিতে গড়িমসি ঐতিহাসিক ২০১ গম্বুজ মসজিদ পরিদর্শনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্বামীর লাশ দেখে প্রাণ গেল স্ত্রীর বিদ্যুৎ স্পর্শে গৃহবধুর মৃত্যু কয়লা তৈরির কারখানা গুড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমান আদালত চামড়ার ফড়িয়াদের মাথায় হাত মাদক ব্যবসায়ী মনিয়ার গ্রেফতার সড়ক দুর্ঘটনায় ওয়ার্কশপ কর্মচারী নিহত অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার পানিতে ডুবে শিশু নিহত আরব আমিরাতে জাতীয় শোক দিবস পালন

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

নির্মান ও ডিজাইন : মঈনুল ইসলাম, পাওয়ার বাই: জিরোওয়ানবিডি