০১:২১ পিএম | টাঙ্গাইল, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া

১১ কিলোমিটার সড়কে ৭৬ বাঁক !

স্টাফ রিপোর্টার | টাঙ্গাইল২৪.কম | বৃহস্পতিবার, ৩ আগস্ট ২০২৩ | |
, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল-ভূঞাপুর ১১ কিলোমিটার সড়কে ৭৬টি বাঁকে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। এরমধ্যে সড়কের ১২টি পয়েন্টে ‘আন্ধা’ বাঁক রয়েছে। এই বাঁকগুলোতে ঘরবাড়ি ও গাছপালা থাকায় এক পাশের পরিবহনের অন্যপাশ থেকে দেখা যায় না। সড়কে ঘনঘন এসব বাঁক থাকার কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দূর্ঘটনা। 

ভূঞাপুর শিয়ালকোল বাজার হতে ঘাটাইলের সমিল রোড পর্যন্ত সড়কে অসংখ্য বাঁক রয়েছে। যার মধ্যে আন্ধা বাঁক রয়েছে বেশ কয়েকটি। এই বাঁকগুলোতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় হতাহতের ঘটনা ঘটে। উত্তরবঙ্গের পরিবহনসহ সড়কটি দিয়ে জামালপুর, শেরপুর, ভালুকা, সাগরদিঘী ও ময়মনসিংহের মানুষজন যাতায়াত করেন। 

জানা গেছে, ভূঞাপুর-ঘাটাইল গুরুত্বপূর্ন সড়কটির সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের। এটি ভূঞাপুর হতে শিয়ালকোল লোকেরপাড়া হয়ে জামুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে দিয়ে ঘাটাইলে চলে গেছে। সড়কটি যেমন সরু অন্যদিকে একটু পরপর রয়েছে বাঁক। এতে সড়কের শিয়ালকোল বাজার হতে চেংটা, মাকেশ্বর, ছনুটিয়া, গলগন্ডা ও জামুরিয়া এলাকাতে বেশি বাঁক রয়েছে। বাঁকগুলোতে পরিবহন ধীরগতিতে চলাচল করতে হচ্ছে। সড়কের বিভিন্নস্থানে বাঁক থাকায় একটি পরিবহনের সাথে আরেকটি পরিবহনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে।

চেংটা গ্রামের মোবারক হোসেন বলেন, মোড়ের পাশেই বাড়ি। প্রতিনিয়ত ছোট ছোট দুর্ঘটনা ঘটে মোড়ে। একদিকে সরু রাস্তা অন্যদিকে মোড়ে বিপরীত দিকের গাড়ি দেখা যায় না। এছাড়াও অনেক চালক বেপরোয়াভাবে পরিবহন চালানোর কারণে মোড়ে দুর্ঘটনা ঘটছে। 

গলগন্ডা এলাকায় ভ্যান চালক ইদ্রিস হোসেন বলেন, কয়েকদিন আগেও আমার সামনে দুর্ঘটনা ঘটলো মোড়ের মধ্যে। এরকম প্রতিনিয়তই হয়। রাস্তাটা যদি বড় করা হয় তাহলে দুর্ঘটনা কমে আসবে। 

সড়ক ব্যবহারকারী জানান, ভূঞাপুর-ঘাটাইল আঞ্চলিক সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ন। ছোট বড় অনেক পরিবহন অহরহ চলাচল করে। কিন্তু সড়কটি খুবই সরু। একটা গাড়িকে আরেকটা গাড়ি পাশ কাটিয়ে যাওয়া কঠিন। সড়কটি প্রসস্থ বা বড় করলে বাঁকগুলোও বড় হবে এতে গাড়ি চলাচলে সুবিধা হবে তেমনই দুর্ঘটনা কমে আসবে। 

ঘাটাইল থেকে আসা উত্তরবঙ্গগামী ট্রাক চালক ইলিয়াস বলেন, ভয়ানক মোড় বাংলাদেশের কোন সড়কে দেখিনি। গাড়ি ঘুরাতে চরম বেগ পেতে হয়। এছাড়া ছোট ছোট গাড়িগুলো মোড় পার হওয়ার আগে হর্ণ দেয় না। ফলে বুঝা যায় না মোড়ের অপর পাশে কোন গাড়ি আছে কিনা। 

চালকরা জানান, কম রাস্তা পেরিয়ে গন্তব্যে যাওয়ার জন্য এই সড়ক ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সড়কটি ছোট। আবার ঘন ঘন বাঁক রয়েছে। বাঁক ঘুরতেও অনেক সময় লেগে যায়। আবার এই সড়কের একটি জায়গা একটি ঝুঁকিপূর্ণ সেতু রয়েছে। বড় গাড়ি হলে ওই সেতুটি পাড় হওয়া খুবই কষ্টের। যানবাহন চলাচলে সড়কটি প্রসস্থ করা দরকার। এছাড়া বাঁকের দুই পাশে গাছ পালা নিয়মিত কাটা মোড়গুলোতে যেন কোন স্থাপনা না থাকলে দুর্ঘটনা কমে আসবে। 

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাব ডিভিশনের (মধুপুর) প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম জানান, ভূমি অধীন জটিলতার কারণে সড়কটি প্রসস্থ করার কাজের উদ্যোগ নেয়া যাচ্ছে না। তবে জটিলতা কেটে গেলে ভূমি অধিগ্রহন বাঁক সহজীকরণ ও সড়ক প্রসস্থ করার প্রকল্প নেয়া হবে। মধুপুর সাব ডিভিশনের অধীনস্থ শুধু এই সড়কটি ১২ ফুট আর অসংখ্য বাঁক রয়েছে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক গ্রেপ্তার ১৮ বছর পর স্বনামে ফিরলো আব্দুস সালাম পিন্টু কলেজ টাঙ্গাইলে আওয়ামীলীগের সভাপতি-সম্পাদক সহ ২৩০ জনের নামে ম টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করলেন সাইফুল ক্ষেতের আইল দিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে ভোগান্তিতে শিশু শিক্ষ যমুনা সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব পেল চায়না রোড এন্ড ব্রি বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন : সভাপতি রুবেল, সম নাগরপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল বন্যার্তদের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করল সেচ্ছাসেব গোপালপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন গোপালপুরে জামায়াতে ইসলামীর পৌর শাখার কর্মী সম্মেলন  স্বপন ফকিরের আর্থিক সহায়তা পেল ছাত্র আন্দোলনে আহত আরও ৯ বন্যার্তদের সহায়তায় টাঙ্গাইলে চ্যারিটি কনসার্ট বল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদের বিরুদ্ধে ৭ সদস্যের দূর্নীত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

নির্মান ও ডিজাইন : মঈনুল ইসলাম, পাওয়ার বাই: জিরোওয়ানবিডি