০৬:৫৩ পিএম | টাঙ্গাইল, শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪
প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া

যে মেলায় ডুব দিয়ে হয় ‘পাপমোচন’

স্টাফ রিপোর্টার | টাঙ্গাইল২৪.কম | শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | |
, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের বাসাইল কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের সৈয়দামপুর গ্রামে বংশাই নদীতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দিনব্যাপী ডুবের মেলা। গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্যবাহী ডুবের মেলা যুগ যুগ ধরে পালিত হচ্ছে। মাঘী পূর্ণিমায় এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়। যা মানুষের মুখে মুখে ডুবের মেলা নামে পরিচিত। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, এই মেলায় নদীতে পূণ্যস্নান করলে পাপমোচন হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, মেলায় জেলার দূর দূরত্ব থেকে আগত জনগণ পূজা ও স্নান পর্বে অংশগ্রহণ করে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চলে স্নান উৎসব। নারী-পুরুষ ও কিশোর-কিশোরী ম্নান উৎসবে অংশ নেন। তারা জমির আইল ধরে ডুবের মেলা আসেন। 

স্নান উৎসবে অংশ নেওয়া পূণ্যার্থীরা বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাদের পাপ মোচন উপলক্ষে ভোরে মানত ও গঙ্গাস্নান পর্ব সমাপণ করেন। গঙ্গাস্নান করলে সাড়া বছরের পাপ মোচন হয়। মনের আশা ও বাসনা পূরণ হয়। এই স্নান অংশ নিলে পূর্ণ মিলে। দুর-দুরান্ত থেকে লোকজন আসে গঙ্গাস্নানে অংশ নিয়ে তাদের মনের বাসনা পূরণ করে।

এই মেলা ব্রিটিশ শাসনামলে বক্ত সাধু নামে খ্যাত এই সন্যাসীর (মাদব ঠাকুর) মূর্তি প্রতিস্থাপন করে পূজা অর্চনা শুরু করেন। এই পূজা উপলক্ষে তখন থেকে গঙ্গাস্নান ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। তখন থেকে এটা ডুবের মেলা নামে পরিচিত। ডুবের মেলায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ম্নান উৎসব চলে।  নারী-পুরুষ ও কিশোর-কিশোরী ম্নান উৎসবে অংশ নেন।

স্নানে অংশ নেওয়া সুজন সরকার বলেন, আজকে আমরা মাঘী পূর্ণিমার মেলায় আসছি। আমাদের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি পূর্ণ্য স্থান। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত গঙ্গাস্নান হয়। ১০০ বছর ধরে এই গঙ্গাস্নান চলে আসছে। ডুবের মেলায় যারা আসে তারা মনের বাসনা নিয়ে গঙ্গাস্নান করতে আসেন। গঙ্গাস্নান করলে মনের বাসনা পূরণ হয়।

স্নানে অংশ গ্রহণ করতে আসা দেবাশীষ দাস বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মনে করে যে আজকে এই মাঘীপূর্ণিমার তিথিতে উত্তর বাহিত জলে স্নান করলে সাড়া বছরের পাপ মোচন হয়। অনেকের মনে আশা থাকে যে স্নান করলে তাদের মনের আশা পূরণ হয়।

মিষ্টি বিক্রেতা মেহেদী হাসান বলেন, ৩০ বছর ধরে এই মেলায় আসি। মেলায় ভালোই মিষ্টি বিক্রি হয়। মেলায় ৯ থেকে ১০ মণ মিষ্টি বিক্রি করা যায়। মেলায় অনেক লোকের সমাগম হয়।

পুরোহিত রবিন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, পূর্ব পুরুষ থেকে এই গঙ্গাস্নান শুরু হয়েছে। এই গঙ্গাস্নানকে বলে মাঘীপূর্ণিমার গঙ্গাস্নান। ৩০-৪০ জন পুরোহিত এই গঙ্গাস্নানে এসেছে। দূর-দুরান্ত থেকে লোকজন এসেছেন গঙ্গাস্নানে অংশ গ্রহণ করে। পূণ্যার্থীরা তাদের মনের বাসনা নিয়ে এখানে আসেন। তারা ডুব দিলে তাদের মনের বাসনা পূর্ণ হয়।

কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আল মামুন বলেন, পূর্বপুরুষ থেকেই এই মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মাঘীপূর্ণিমায় ডুবের মেলা পালন করে থাকেন। মেলা দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ আসেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

ছাত্রী মেসে ভিডিও ধারণের অভিযোগ, মাভাপ্রবিতে শিক্ষার্থী নির্বাচনে হেরে ভোট কারচুপির অভিযোগ করলেন বহিস্কৃত বিএনপ আদম তমিজি এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা  ভাতা বাবদ অর্থ নিলে চেয়ারম্যান- মেম্বারদের বিরুদ্ধে ব্য 'ডায়াবেটিক ধান’ চাষে মিলেছে সফলতা  স্ত্রীর মামলায় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা কারাগারে  তিন দফা দাবিতে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের সংবাদ সম্মেলন তিন উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে সাবেক ও দুই নতুন প্রার্থী বি মির্জাপুরে এনএসআইসহ বিভিন্ন পরিচয়ে প্রতারণা, আটক ১ গোপালপুরে গরু চুরির হিড়িক, আতংকে খামারীরা মধুপুরে খাদ্য গুদামে খাদ্য শস্য সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধ কালিহাতীতে অবৈধভাবে বালু বিক্রি হচ্ছে : উদাসীন পাউবো!  ভাঙা সড়কে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল, সংস্কারের উদ্যোগ নেই নাগরপুরে নবনির্বাচিত প্রাথমিক শিক্ষক নেতৃবৃন্দের শপথ অন ওয়ালটনের নন স্টপ মিলিয়নিয়ার অফার উপলক্ষে র‌্যালী

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

নির্মান ও ডিজাইন : মঈনুল ইসলাম, পাওয়ার বাই: জিরোওয়ানবিডি