০২:৩২ পিএম | টাঙ্গাইল, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া

উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

উপজেলা চেয়ারম্যান-নির্বাহী কর্মকর্তার দ্বন্ধ চরমে

স্টাফ রিপোর্টার | টাঙ্গাইল২৪.কম | রোববার, ১ ডিসেম্বর ২০১৯ | |
, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের সখীপুরে উপজেলা পরিষদের মূলভবনে 'উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়' লেখা নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান ও নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যে দ্বন্ধ চরমে পৌঁছেছে। এতে করে উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর উপজেলা পরিষদের মাসিক উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভায় পরিষদের মূল ভবনের সাইনবোর্ড নিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুর রহমানের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে সমন্বয় কমিটির সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সভা থেকে তাঁর কক্ষে চলে যান।

এরপর থেকে দু’জনের মধ্যে দ্বন্ধ আরও প্রকট আকার ধারন করেছে। এর চারদিন পর উপজেলা পরিষদের মূলভবনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়' লেখা সাইনবোর্ড সাঁটানো আইনের পরিপন্থি দাবি করে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গত ১৯ নভেম্বর সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে একটিচিঠি দেন। ওই সাইনবোর্ড সাঁটানোর পক্ষে নির্বাহী কর্মকর্তার কোনো অনুমোদিত চিঠি আছে কিনা, থাকলে তা সাত কার্যদিবসের মধ্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে দেখাতে বলা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সখীপুর উপজেলার একাধিক ইউপি চেয়ারম্যান নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান ও নির্বাহী কর্মকর্তার মধ্যে সৃষ্ট দ্বন্ধের কারণেই গত অক্টোবর মাসের মাসিক উন্নয়ন ও সমন্বয় কমিটির সভা হয়নি।

এদিকে অভিযোগ আছে, উপজেলা চেয়ারম্যান পরিষদের নির্ধারিত বেতনভোগী চালককে দিয়ে গাড়ি না চালানোর অভিযোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ির জ্বালানি দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে করে ওই দুই জনের মধ্যে তিক্ততা দিনদিন বেড়েই চলেছে।

দীর্ঘদিন ধরেই সভা-অনুষ্ঠান ছাড়া দুজনের মুখ দেখাদেখি, কথাবার্তা ও ফোনালাপ বন্ধ রয়েছে। এতে করে সখীপুর উপজেলা পরিষদের উন্নয়ন কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সখীপুর উপজেলার সরকারি দপ্তরের নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা জানান, আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরে গেলে উপজেলা চেয়ারম্যান বেজার হন, আবার চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে গেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেজার হন। সব মিলে আমরা মহাবিপদে আছি। আমরা অতি দ্রুত তাঁদের মধ্যে এ দ্বন্ধ নিরসন চাই।

উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে আপনার দূরত্ব বাড়ছে- এ প্রশ্নের জবাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আমিনুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, এ দূরত্বের জন্য চেয়ারম্যানই দায়ী। আমার সঙ্গে তার কোন দ্বন্ধ নেই। আমি অনিয়ম কিছু করতে চাইনা বলেই আমার সঙ্গে অনেকের বনিবনা হচ্ছেনা।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার কামাল লেবু বলেন, ইউএনও সাহেব উপজেলা পরিষদের বিধিমালা ২০১০ এর ২০ নম্বর অনুচ্ছেদ  ভঙ্গ করে উপজেলা পরিষদের মূলভবন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়' লিখে সাইনবোর্ড সাঁটিয়েছেন। ওনি মনে করেন আমি ওনার অধীনস্থ কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন-সাতদিন পার হলেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় আমার চিঠির কোনো জবাব দেননি। কৈফিয়ত চেয়ে শিগগিরই তাকে আরেক টিচিঠি দেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক গ্রেপ্তার ১৮ বছর পর স্বনামে ফিরলো আব্দুস সালাম পিন্টু কলেজ টাঙ্গাইলে আওয়ামীলীগের সভাপতি-সম্পাদক সহ ২৩০ জনের নামে ম টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করলেন সাইফুল ক্ষেতের আইল দিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে ভোগান্তিতে শিশু শিক্ষ যমুনা সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব পেল চায়না রোড এন্ড ব্রি বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন : সভাপতি রুবেল, সম নাগরপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল বন্যার্তদের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করল সেচ্ছাসেব গোপালপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন গোপালপুরে জামায়াতে ইসলামীর পৌর শাখার কর্মী সম্মেলন  স্বপন ফকিরের আর্থিক সহায়তা পেল ছাত্র আন্দোলনে আহত আরও ৯ বন্যার্তদের সহায়তায় টাঙ্গাইলে চ্যারিটি কনসার্ট বল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদের বিরুদ্ধে ৭ সদস্যের দূর্নীত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

নির্মান ও ডিজাইন : মঈনুল ইসলাম, পাওয়ার বাই: জিরোওয়ানবিডি