০২:৩১ পিএম | টাঙ্গাইল, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া

লৌহজং নদীর অবৈধ দখলমুক্ত অভিযান চলছে

আরিফ উর রহমান টগর | টাঙ্গাইল২৪.কম | মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৬ | | ১৩১৬
, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইল পৌর এলাকাসহ সদর উপজেলার উপর দিয়ে ৭৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বয়ে যাওয়া লৌহজং নদীর দুই পাড়ে অবৈধ স্থাপনা দখলমুক্ত কার্যক্রম চলছে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পৌর এলাকার মধ্যবর্তি স্থান ও নদীর পশ্চিম প্রান্তরের বেড়াডোমা এবং কাগমারার নদীর দখলকৃত স্থানের স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু কওে জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যেই অবৈধ দখলদারদের সকল স্থাপনা সরিয়ে নিতে নানা ধরনের সচেতনতামূলক প্রচার প্রচারনাসহ করা হয় মাংকিং। এর পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে দখলকৃতস্থানে পরিমাপ করে লাল নিশান লাগিয়ে দেয়া হয়েছে। এর ফলে আতংকিত দখলদারদের কেউ কেউ তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়। তবে যারা সরিয়ে নেয় নি তাদের গুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ৭৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বয়ে যাওয়া লৌহজং নদীর প্রসস্ত ছিল ৩০০’ ফুট। সেটা দখল হয়ে কোন স্থানে রয়েছে ৫০ থেকে ৮০ ফুট।

সরেজমিনে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই নদীর দুই পারে দখলদাররা নদী ভরাট করে কাঁচাপাকা ঘরবাড়ি ও মার্কেট নির্মান করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। এর ফলে নদী হারিয়ে ফেলেছে তার প্রকৃত রূপ। দিন যতই যাচ্ছে দখলদারদের দৌড়াত্ম ততই বেড়েই চলেছে। আবার কোন কোন প্রভাবশালীরা নদীর উপরে বড় বড় ইমারত তৈরি করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এই নদী রক্ষার আন্দোলন চললেও এটি উদ্ধারে কোন কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

উচ্ছেদ প্রসঙ্গে কাগমারা এলাকার ফল বিক্রেতা আবুল কাশেমের স্ত্রী ছামেনা (৬০) এর অভিযোগ, বিভিন্ন সূত্রে লৌহজং নদীর দখলমুক্ত করার অভিযান ২৯ নভেম্বর শুরুর কথা জানতে পারেন সে। তবে অভিযান শুরুর আগে যারা নদীর পরিমাপ করেছেন সেটা সঠিক ভাবে করা হয়নি। পরিমাপে স্বজনপ্রীতি ও টাকা লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ তার।

নদীর জমি দাবীতে তার যে বাড়ীটা ভাঙ্গা হয়েছে সেটা তার পৈত্রিক সম্পতি। জন্মের পর থেকে তিনি এ বাড়ীতে বসবাস করে আসছেন।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মোঃ মাহবুব হোসেন জানান, লৌহজং নদীর অবৈধ দখলমুক্ত অভিযান শুরু হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। উচ্ছেদ অভিযানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সংগঠণের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ছিল।

এই কর্মসূচীতে সমাজের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার অন্তত ৫ থেকে ৭ হাজার মানুষ টুকরি কোদাল নিয়ে অবৈধ দখলমুক্ত করে নদী খননের জন্য স্বেচ্ছায় কাজে অংশ গ্রহণ করেন। এ দখলমুক্ত কাজ শেষ হলে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নদী খনন, নদীর দুই পাড় ঘেষে সাধারণ মানুষের চলাচলে সড়ক নির্মাণসহ বিভিন্ন ধরনের বৃক্ষরোপনের কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলেও জানান তিনি।

উচ্ছেদ অভিযানে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল সদর আসনের মহিলা এমপি মনোয়ার বেগম, জেলা প্রশাসক মাহবুব হোসেন, পুলিশ সুপার মাহবুব আলম, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, পৌর প্রশাসনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠণের নেতাকর্মীরা।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক গ্রেপ্তার ১৮ বছর পর স্বনামে ফিরলো আব্দুস সালাম পিন্টু কলেজ টাঙ্গাইলে আওয়ামীলীগের সভাপতি-সম্পাদক সহ ২৩০ জনের নামে ম টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করলেন সাইফুল ক্ষেতের আইল দিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে ভোগান্তিতে শিশু শিক্ষ যমুনা সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব পেল চায়না রোড এন্ড ব্রি বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন : সভাপতি রুবেল, সম নাগরপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল বন্যার্তদের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করল সেচ্ছাসেব গোপালপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন গোপালপুরে জামায়াতে ইসলামীর পৌর শাখার কর্মী সম্মেলন  স্বপন ফকিরের আর্থিক সহায়তা পেল ছাত্র আন্দোলনে আহত আরও ৯ বন্যার্তদের সহায়তায় টাঙ্গাইলে চ্যারিটি কনসার্ট বল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদের বিরুদ্ধে ৭ সদস্যের দূর্নীত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

নির্মান ও ডিজাইন : মঈনুল ইসলাম, পাওয়ার বাই: জিরোওয়ানবিডি