১২:৩৯ পিএম | টাঙ্গাইল, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া

অপরাধী তিন জন হলেও ১ জনকে আসামী করায় সংবাদ সম্মেলন

প্রতিবন্ধি তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা

স্টাফ রিপোর্টার | টাঙ্গাইল২৪.কম | বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০১৭ | | ৩৯৬৫
, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধি তরুণী ধর্ষনের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় তিনজন জড়িত থাকলেও মাত্র এক জনকে আসামী করায় সংবাদ সম্মেলন করেছে অভিযুক্তের স্ত্রী।

বুধবার টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে আসামী ও কারারুদ্ধ মোঃ হামিদ মিয়া ওরফে হামদুর স্ত্রী মোছাঃ রুবিনা জানান, চলতি বছরের ১ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বার শিকার হন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ঢেলি করটিয়াস্থ সাবেক সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান এর বাসার ভাড়াটিয়া মানসিক প্রতিবন্ধি এবং মৃগি রোগে আক্রান্ত তরুণী আঁখি আক্তার (১৭)। সে মির্জাপুর উপজেলার কাটরা গ্রামের মোঃ লাল মিয়া ও আলো বেগমের মেয়ে।

ঘটনার পরপরই এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা। মানসিক প্রতিবন্ধি হলেও ধর্ষিতা ঘটনার বিবরণ ও জড়িতদের নাম প্রকাশ করে। পরবর্তিতে ধর্ষিতার দেয়া ভাষ্যে মতে ঘটনায় জড়িত বাসার মালিক ও সাবেক সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, বাসার ভাড়াটিয়া ও কারখানার মালিক সাহাবুদ্দিন ও কারখানার দর্জি মোঃ হামিদ মিয়া ওরফে হামদুর নাম উল্লেখ করে টাঙ্গাইল মডেল থানায় অভিযোগ করে মেয়েটির পরিবার।

১৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অপরাধে কারখানার মালিক সাহাবুদ্দিন ও কারখানার দর্জি মোঃ হামিদ মিয়া ওরফে হামদুকে আটক করে টাঙ্গাইল মডেল থানা পুলিশ। তবে কারখানার মালিক সাহাবুদ্দিনকে ছেড়ে দিয়ে গত ২১ সেপ্টেম্বর কারখানার দর্জি মোঃ হামিদ মিয়া ওরফে হামদুকে একমাত্র আসামী করে মামলা দায়ের ও জেলহাজতে পাঠানো হয়।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর ধর্ষণের শিকার আখি আক্তার (১৭) এর ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ করে আদালত। এ জবানবন্দিতে ধর্ষিতা তিনজনের নাম উল্লেখ করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন।

এ প্রসঙ্গে বিবাদী পক্ষের আইনজীবি মুকুল আক্তার বলেন, গত ২৪ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাসুম এর আদালতে ধর্ষণের শিকার আঁখি আক্তার (১৭) ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এসময় সে বাসার মালিক ও সাবেক সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান ও কারখানার দর্জি মোঃ হামিদ মিয়া ওরফে হামদুর নাম উল্লেখ করাসহ আরো কয়েকজন জড়িত বলে উল্লেখ করেছে।

টাঙ্গাইল মডেল থানার উপ-পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা জেসমিন আক্তার জানান, এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার মেয়েটি মামলার প্রথমে শুধু কারখানার দর্জি মোঃ হামিদ মিয়া ওরফে হামদুর নাম উল্লেখ করায় একজনের নামে মামলা দায়ের করা হয়। তবে আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে ধর্ষিতা বাসার মালিক ও সাবেক সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রহমান ও কারখানার দর্জি মোঃ হামিদ মিয়া ওরফে হামদুর নাম উল্লেখ করে।

এ ঘটনায় যেই জড়িত থাকুক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জবানবন্দির ভিত্তিতে বাসার মালিক ও সাবেক সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুর রহমানকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তিনি পলাতক রয়েছেন।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক গ্রেপ্তার ১৮ বছর পর স্বনামে ফিরলো আব্দুস সালাম পিন্টু কলেজ টাঙ্গাইলে আওয়ামীলীগের সভাপতি-সম্পাদক সহ ২৩০ জনের নামে ম টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করলেন সাইফুল ক্ষেতের আইল দিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে ভোগান্তিতে শিশু শিক্ষ যমুনা সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব পেল চায়না রোড এন্ড ব্রি বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন : সভাপতি রুবেল, সম নাগরপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল বন্যার্তদের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করল সেচ্ছাসেব গোপালপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন গোপালপুরে জামায়াতে ইসলামীর পৌর শাখার কর্মী সম্মেলন  স্বপন ফকিরের আর্থিক সহায়তা পেল ছাত্র আন্দোলনে আহত আরও ৯ বন্যার্তদের সহায়তায় টাঙ্গাইলে চ্যারিটি কনসার্ট বল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদের বিরুদ্ধে ৭ সদস্যের দূর্নীত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

নির্মান ও ডিজাইন : মঈনুল ইসলাম, পাওয়ার বাই: জিরোওয়ানবিডি