১০:৪২ পিএম | টাঙ্গাইল, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া

পানি বৃদ্ধি : চাহিদা বাড়ছে মাছ ধরার বাঁশের তৈরীর উপকরণের

মোঃ ইউনুস,ধনবাড়ী | টাঙ্গাইল২৪.কম | সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২০ | |
, টাঙ্গাইল :

কয়েক দিনের টানা বর্ষণে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজলার নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয় পানিতে টইটুম্বুর। পানিতে তলিয়ে গেছে উপজেলার নিচু এলাকার বিভিন্ন পুকুর ও মাছের ঘেড়। তলিয়ে যাওয়া পুকুর ও মাছের ঘেড় থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে। মাছ ধরার জন্য সবাই ব্যস্ত সময় পার করছেন। আর মাছ ধরার অন্যতম বাঁশের তৈরী উপকরণ-ঘুণি, টেপারী, বুচুঙ্গা, দেয়াইর, চাবি, চাঁই ও পলো। এ বর্ষার মৌসুমে মাছ ধরার উপকরণের চাহিড়া বেড়ে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন হাঁট-বাজারে বিক্রি হচ্ছে এসব মাছ ধরার উপকরণ।  

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারা এসে মাছ ধরার উপকরণ কিনছেন। বিক্রি হচ্ছেও প্রচুর।

মাছ ধরার উপকরণ কিনতে আসা আ. করিম মিয়া ও লোকমান হোসেনের সাথে কথা বলে জানা যায়, বর্ষার নতুন পানি ও টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পানি বেড়ে গেছে। বিভিন্ন পুকুর ও মাছের ঘেড় তলিয়ে মাছ বিভিন্ন নদী, খাল-বিল, জলাশয় ও নিচু জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছে। মাছ ধরার জন্য বাঁশের তৈরি ঘুণি, টেপারী, বুচুঙ্গা, দেয়াইর, চাবি, চাঁই ও পলো দিয়ে (মাছ ধরার ফাঁদ) সহজেই বিভিন্ন মাছ ধরা যায়। বছরের এই সময়টা মাছ ধরার এই উপকরণ বেশি কেনা-বেচা হয়। এই মৌসুমে কেনা একেকটি বাঁশের মাছ ধরার উপকরণ এক বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়।

অপর ক্রেতা  মো. হারুন মিয়া জানান, এ সব মাছ ধরার উপকরণ কিনে যে সমস্ত জায়গা দিয়ে মাছ চলাচল করে সেই সব জায়গায় এগুলো পেতে রাখলে মাছ আটকে থাকে। তাতে করে বাজার থেকে মাছ কিনতে হয় না। এ সময় মাছের চাহিদাটাও মিটিয়েও বিক্রি করা যায়। আর অতিরিক্ত মাছগুলো বাড়ীর আশপাশের লোকজন, আত্মীয়-স্বজনের বাড়ীতে পাঠানো যায় এবং মাছগুলো শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়।  

ময়মনসিংহ থেকে আসা মাছের উপকরণ বিক্রেতা (মাছের ফাঁদ)  আ. হালিম ও কামাল মিয়া জানান, আমরা সারা বছরই এসব মাছ ধরার উপকরণ তৈরী করে বিক্রি করি। আমাদের পরিবারের সকল সদস্যরা এ কাজে সাহায্য-সহযোগিতা করে।

অপর বিক্রেতা আ. বারেক মিয়া জানান এসব মাছ ধরার উপকরণ তৈরী করা আমার পেশা। পরিবারের সকল সদস্য মিলে বর্ষার আগের থেকেই আমরা মাছ ধরার ঘুণি, টেপারী, বুচুঙ্গা, দেয়াইর, চাবি, চাঁই ও পলোগুলো তৈরী করে থাকি। সপ্তাহে ২০/২৫ টি করে মাছ ধরার উপকরণ তৈরী করা যায়। এসব উপকরণ সাইজ অনুযায়ী ১৫০/২৫০ এবং ৫‘শত টাকা পর্যন্তও বিক্রি করা যায়।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক গ্রেপ্তার ১৮ বছর পর স্বনামে ফিরলো আব্দুস সালাম পিন্টু কলেজ টাঙ্গাইলে আওয়ামীলীগের সভাপতি-সম্পাদক সহ ২৩০ জনের নামে ম টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করলেন সাইফুল ক্ষেতের আইল দিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে ভোগান্তিতে শিশু শিক্ষ যমুনা সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব পেল চায়না রোড এন্ড ব্রি বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন : সভাপতি রুবেল, সম নাগরপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল বন্যার্তদের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করল সেচ্ছাসেব গোপালপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন গোপালপুরে জামায়াতে ইসলামীর পৌর শাখার কর্মী সম্মেলন  স্বপন ফকিরের আর্থিক সহায়তা পেল ছাত্র আন্দোলনে আহত আরও ৯ বন্যার্তদের সহায়তায় টাঙ্গাইলে চ্যারিটি কনসার্ট বল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদের বিরুদ্ধে ৭ সদস্যের দূর্নীত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

নির্মান ও ডিজাইন : মঈনুল ইসলাম, পাওয়ার বাই: জিরোওয়ানবিডি