টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
টেষ্ট পরীক্ষার নামে বাড়তি অর্থ আদায় করা হলেও কোন ধরনের রশিদ দেয়নি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আর এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা।
জানা গেছে, উপজেলার পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লাল মাহমুদ মিয়া এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টেষ্ট পরীক্ষার জন্য বেতনসহ বিভিন্ন ফি বাবদ ১৪০০ টাকা এবং বাড়তি ১১০০ টাকা ধার্য করেন।
পরে শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের বেঁধে দেয়া মোট ২৫০০টাকা দিয়ে টেস্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে। যদিও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা টাকার কোন রশিদ দেয়নি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ওই বিদ্যালয়ে মোট ১৬০জন শিক্ষার্থী রশিদ ছাড়া ২৫০০টাকা জমা দিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। অন্যদিকে অবৈধভাবে আদায় করা টাকা আদায়ের বিষয়ে শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে অভিভাবকরা।
তবে নিয়ম অনুযায়ী স্কুল কর্তৃপক্ষ আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত মাসিক বেতন প্রতি মাস ১শ ৫০টাকা ও পরীক্ষার ফি ৩২০টাকা নেয়ার কথা। কিন্তু পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়ম ভেঙে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সেশন চার্জ ৯শ টাকা, ছয় মাসের বেতন ৯শ টাকা, উন্নয়ন ফি ৭শ টাকা মিলে মোট ২৫শ টাকা আদায় করা হয়েছে।
ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লাল মাহমুদ মিয়া জানান, বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ মিথ্যা। টাকা আদায়ের সময় রশিদ দেয়া হয়নি কৌশলগত কারনে। পরে শিক্ষার্থীদের মাঝে রশিদ বিতরণ করা হবে।
এছাড়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা ১লাখ ২০ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা রাখা হয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা শাহীনুর ইসলাম জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এবিষয়ে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত অব্যাহত আছে।
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
নির্মান ও ডিজাইন : মঈনুল ইসলাম, পাওয়ার বাই: জিরোওয়ানবিডি
আপনার মন্তব্য লিখুন...