০৭:৪৩ এএম | টাঙ্গাইল, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৯
প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া

দুই লক্ষাধিক মানুষ গত ১১ বছর ধরে  স্বাস্ব্য সেবা থেকে বঞ্চিত

স্টাফ রিপোর্টার | টাঙ্গাইল২৪.কম | সোমবার, ৮ জুলাই ২০১৯ | |
, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইলের সখীপুরে গত ১১ বছর ধরে কাগজে কলমে যাদবপুর ও হাতীবান্ধা ইউনিয়ন দুটিতে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র থাকলেও বাস্তবে নেই। 

ফলে ওই দুটি ইউনিয়নের গ্রাম পর্যায়ের দুই লক্ষাধিক মানুষ গত ১১ বছর ধরে স্বাস্ব্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। স্থাপনাবিহীন ওই দুই হাসপাতালে চিকিৎসক নিয়োগ থাকলেও তাঁরা প্রেষণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, গত ২০০৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি উপজেলার যাদবপুর ও হাতীবান্ধা ইউনিয়নের প্রতিটি  উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জন্য একজন চিকিৎসা কর্মকর্তা, একজন উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা, একজন ফার্মাসিস্ট ও একজন অফিস সহায়কের পদ সৃষ্টি হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ওই পদের বিপরীতে নিয়োগও দেয়। তবে ওই পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্তরা বাস্তবে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্থাপনা না থাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেষণে দায়িত্ব পালন করছেন।

যাদবপুর ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে কাগজে-কলমে চিকিৎসা কর্মকর্তা (মেডিকেল অফিসার) হিসেবে  সুশান্ত কুমার সাহা থাকলেও বর্তমানে তিনি প্রেষণে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চাকুরী করছেন এবং উপ-সহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা (স্যাকমো) মোস্তফা কামাল কর্মরত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্মরত রয়েছেন।  হাতীবান্ধা ইউনিয়নে চিকিৎসা কর্মকর্তা হিসেবে শামীমা আহমেদ এবং উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা রাশিদা আক্তার  যোগ দিলেও বর্তমানে তারা সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দায়িত্ব পালন করছেন।

এ ব্যাপারে উপ-সহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল বলেন, আমি চার বছর ধরে স্থাপনাবিহীন হাসপাতালে চাকরি করছি। কাগজে-কলমে একই হাসপাতালে চাকরি করলেও আমার সহকর্মী চিকিৎসা কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার সাহাকে আমি কখনো দেখিনি। কারণ হচ্ছে আমি যে হাসপাতালে কাজ করার জন্য নিয়োগ পেয়েছি, বাস্তবে ওই ইউনিয়নের কোথাও উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোনো অস্তিত্ব নেই।

উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সম্পর্কে যাদবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান ও হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গিয়াস উদ্দিন বলেন, তাঁদের ইউনিয়নে কাগজে-কলমে একটি করে উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র রয়েছে। অথচ তাঁদের তা জানা নেই। ফলে তাঁদের দুটি ইউনিয়নের প্রায়  দুই লাখ গ্রামবাসী স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বেলায়েত হোসেন বলেন, আমি প্রায় বছর খানেক ধরে এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগ দিয়েছি। আমার কার্যালয়ে প্রতিটি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র বিষয়ে যাবতীয় তথ্যাবলী টাঙিয়ে রেখেছি। 

ওই দুই চেয়ারম্যান মহোদয় এ সম্পর্কে না জানলে আমার কী করার আছে। তবে আমি ওই দুই চেয়ারম্যানকে কথা দিতে পারি প্রতিটি ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জমিদাতা পাওয়া গেলে হাসপাতালের ভবন নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


 

আপনার মন্তব্য লিখুন...

অপুষ্টির শিকার এতিমদের মুখে হাসির ঝিলিক এলেঙ্গা স্পোর্টস একাডেমি’র ফুটবল প্রশিক্ষণ শুরু সখীপুরে ৫ দিনেও সন্ধান মিলেনি নিখোঁজ আর্জিনার শাজাহান সিরাজ কল্যাণ ট্রাস্টের বৃত্তি প্রদান মা ইলিশ সংরক্ষণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান টাঙ্গাইলে জোড়া খুনের আসামী গ্রেফতার ছেলের মৃত্যুর খবরে মায়ের মৃত্যু বিল থেকে গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার দক্ষিণ কোরিয়ায় টাঙ্গাইল কমিউনিটি’র আত্মপ্রকাশ নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম নববধূকে তালাক দিয়ে শ্বাশুড়িকে বিয়ে করলো বর গোপালপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত কালিহাতীতে বাল্যবিবাহ নিরোধ দিবস পালিত ধনবাড়ীতে দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত নাগরপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

নির্মান ও ডিজাইন : মঈনুল ইসলাম, পাওয়ার বাই: জিরোওয়ানবিডি