০৭:৫৬ পিএম | টাঙ্গাইল, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯
প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া

নিতে এসে প্রধানমন্ত্রীকে পুরস্কার দিয়ে গেলেন ছোট্ট পিয়াসা

আশরাফুল আলম খোকন | টাঙ্গাইল২৪.কম | বুধবার, ১৩ মার্চ ২০১৯ | |
, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইল সদরের জোবায়দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী পিয়াস সরকার। ছবি আঁকার হাত খুবই ভালো। ছবি আঁকাতে জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কারও পেয়েছে সে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তার স্বপ্নের মানুষ।

গত আড়াই মাস চেষ্টা করে পিয়াসা বঙ্গবন্ধু কন্যার একটি পোট্রেট আঁকেন। তার মা তাপসী রানী সরকার জানালো, মেয়েটা অনেক পরিশ্রম করেছে। মুখ মিলেতো চোখ মিলেনা, চুল মিলেতো ব্রু মিলেনা। আড়াই মাস চেষ্টার পর বঙ্গবন্ধু কন্যার ছবি নিয়ে পিয়াসার সন্তুষ্টি আসে। উদ্দেশ্য একটাই, যেকোনো ভাবেই হোক এই ছবিটি সে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দিবে। তার সেই স্বপ্ন সফল হয়েছে।

কিভাবে স্বপ্নটা সত্যি হলো আসুন এখন আসি সেই গল্পে। জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ছবিটি নিয়ে তিনদিন আগে তারা ঢাকায় আসে। শিক্ষায় অবদান রাখার জন্য মোট ১০৮ জনকে এই অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত করা হবে, পিয়াসা এই ভাগ্যবানদের মধ্যে একজন। গত দুইদিন তারা অনেক চেষ্টা করেও ছবিটি প্রধানমন্ত্রীকে দেয়ার কোনো সুযোগ খুঁজে পায়নি। নিরাপত্তা বিভাগ থেকেও বলে দেয়া হয়েছে অতিরিক্ত কোনো কিছু সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করা যাবেনা।

পুরাপুরি হতাশ হয়েই আজ মা’কে সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে আসে পিয়াসা। কাগজে মোড়ানো ছবিটি নিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকেন বাবা শংকর চন্দ্র সরকার। মা-মেয়ে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের হলেই তারা ছবিটি সঙ্গে করে নিয়েই টাঙ্গাইল চলে যাবেন।

কিন্তু ১১ বছরের যেই শিশুটির স্বপ্নের মানুষ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তার সাহস নিশ্চয়ই কম নয়। যথারীতি নাম ডাকা হলে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে গিয়ে পুরস্কার নেয় পিয়াসা সরকার। প্রধানমন্ত্রীর শিশুসুলভ আন্তরিকতায় আরো সাহসী হয়ে উঠেন পিয়াসা। সে বলেই ফেলে ছবিটির কথা। কান্না করে দেয়। তাকে যে আনতে দেয়া হয়নি সেটিও বলতে ভুলেনি। সাথে সাথেই প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন ছবিটি নিয়ে আসার জন্য। তৎপর হয়ে উঠেন সবাই। পিয়াসার কাছ থেকে তার বাবার ফোন নাম্বার নিয়ে তারা যোগাযোগ করেন। বাইরে ছবি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাবাকে ভিতরে নিয়ে আসেন। অনুষ্ঠানের শেষের দিকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভালোবাসায় আঁকা পোট্রেটটি তুলে দেন পিয়াসা।

বিকেলে যখন পিয়াসার বাবা-মায়ের সাথে ফোন কথা হয় ততক্ষনে তারা টাঙ্গাইল চলে গেছেন। তারা জানালেন, স্বপ্ন পূরণের আনন্দ আর খুশিতে তখন কাঁদছিলেন পিয়াসা।

লেখক : প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি।

আপনার মন্তব্য লিখুন...

স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে মধুপুরে সনাক’র মতবিনিময় সভা অধ্যাপক ড. কাজী শহিদুল্লাহ ইউজিসির চেয়ারম্যান হওয়ায় অভি বঙ্গবন্ধুর শত জন্মবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী প পাউবো’র বিশাল কর্মযজ্ঞে আশান্বিত তীরবর্তী মানুষ নাগরপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের দোয়া ও ইফতার মাহফিল আই.ই.বি টাঙ্গাইল উপকেন্দ্রের বার্ষিক সাধারন সভা ও ইফতার বিদ্যুৎষ্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধুর মৃত্যু মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের বিরোধে সমঝোতা, ভাতা পাবেন সমান হ মাভাবিপ্রবি সি.আর.সির ঈদ বস্ত্র ও ইফতার বিতরন ফাঁসিতে ঝুলে চা বিক্রেতার আত্মহত্যা বজ্রপাতে নিহত আমজাদের পরিবার পেল আর্থিক সহায়তা বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব, দুশ্চিন্তার কোন কারন নেই ঢাকা রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসপি সঞ্জিত কুমার রায় চলন্ত বাসে গণধর্ষণের দায়ে চালকসহ চারজনের যাবজ্জীবন দম ফেলার ফুসরৎ নেই মুড়ির কারিগরদের

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

নির্মান ও ডিজাইন : মঈনুল ইসলাম, পাওয়ার বাই: জিরোওয়ানবিডি