০৮:৩৫ পিএম | টাঙ্গাইল, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
প্রতিষ্ঠাতা মরহুম আব্দুল ওয়াহেদ মিয়া

অভিযোগকারীদের হয়রানি

কালীমন্দিরের জমি বিক্রির অভিযোগ, স্থিতাবস্থার নির্দেশ আদালতের

স্টাফ রির্পোটার | টাঙ্গাইল২৪.কম | সোমবার, ২ মার্চ ২০২০ | |
, টাঙ্গাইল :

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের সদুল্লাপুরে হিন্দুদের দীর্ঘকাল ধরে ব্যবহৃত কালীমন্দির ও শ্মশানের জমি বেদখল করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে একটি মহল। মন্দিরের জায়গা বিক্রি করে নির্মাণ করা হয়েছে দেয়াল। 

সম্প্রতি আদালত বিবাদমান ওই জমিতে দু’পক্ষের শান্তিশৃংখলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সদুল্লাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এসএ ৪৪৬ নং খতিয়ানের ৪৩৩ দাগ ও খতিয়ানের হাল রেকর্ড ৫২৯ দাগের ১৯ শতাংশ জমি ওই গ্রামের স্বনামধন্য ব্যক্তি অধ্যাপক কালীপদ রায় গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য শ্মশানঘাট ও কালীমন্দির স্থাপনের জন্য দান করেন। 

কালীপদ রায়ের ভাই দীপন রায়ও এই জমিদানে সম্মতি দেন। এরপর থেকেই ওই জমিতে কালীমন্দির স্থাপন করে পূজা সম্পাদন ও শ্মশানঘাটে মরদেহ সৎকার চলছে। অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল জাল দলিলের মাধ্যমে ওই জমি বিক্রি ও বেদখল করছে। 

এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক বরারব গত ১৪ জানুয়ারি এলাকার ভুক্তভোগী জনসাধারণ আবেদন করে। আবেদনের অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়। কিন্তু তাতেও কোনও ফল পাননি তারা। 

মন্দির কমিটি বাদী হয়ে স্থানীয় সুনীল কুমার রায়, ফজল হক, আব্দুর রাজ্জাক প্রামানিক, হাবিবুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, জাহাঙ্গীর আলম, মাজিদুর রহমান প্রমুখকে বিবাদী করে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন। 

টাঙ্গাইল সদর থানার এএসআই ইসরাফিল মিয়া গত ১২ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এক নোটিশে জানান, মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জমিতে শান্তিশৃংখলা বজায় রাখতে হবে। কেউ যদি আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটান কিংবা ঘটনোর চেষ্টা করেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

এ বিষয়ে মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক পিন্টু সরকার বলেন, দীর্ঘ ২’শ বছরের পুরানো মন্দিরে এলাকাবাসী নিয়মিত পূজা পার্বণ করে আসছে। বিভিন্ন সময় সরকারী অনুদান ও স্থানীয়দের চাঁদার টাকা দিয়ে মন্দির সংস্কারও করা হয়েছে। কিন্তু মন্দিরের জায়গা অবৈধভাবে বিক্রি করে মন্দিরের পাশে দেয়াল নির্মাণ হচ্ছে। মূল অভিযুক্তদের সাথে যুক্ত হয়েছেন স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী। আমরা প্রতিকার চেয়ে আদালতের দারস্থ হয়েছি। 

স্থানীয় অমিত দাস বলেন, মন্দিরের জায়গা অবৈধভাবে বিক্রি করার প্রতিবাদ করায় আমাদের চাঁদাবাজির মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মন্দির সংলগ্ন জমির ক্রেতা ফজলুল হক বলেন, আমরা সুনীল কুমার রায়ের কাছ থেকে এ জায়গা কিনে নিয়েছি। শুনেছি জায়গাটি এ গ্রামের কালিপদ বাবুর ছিল। তিনি ভারতে চলে গেছেন। 

অভিযুক্ত সুশীল কুমার রায় বলেন, যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে তা আমাদের পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া। জাল দলিল করার কোন প্রশ্নই উঠেনা। আমরা আমাদের রেকর্ডকৃত সম্পত্তি বিক্রি করেছি।

এসআর

আপনার মন্তব্য লিখুন...

সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক গ্রেপ্তার ১৮ বছর পর স্বনামে ফিরলো আব্দুস সালাম পিন্টু কলেজ টাঙ্গাইলে আওয়ামীলীগের সভাপতি-সম্পাদক সহ ২৩০ জনের নামে ম টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করলেন সাইফুল ক্ষেতের আইল দিয়ে বিদ্যালয়ে যেতে ভোগান্তিতে শিশু শিক্ষ যমুনা সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব পেল চায়না রোড এন্ড ব্রি বাসাইল রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন : সভাপতি রুবেল, সম নাগরপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল বন্যার্তদের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করল সেচ্ছাসেব গোপালপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠন গোপালপুরে জামায়াতে ইসলামীর পৌর শাখার কর্মী সম্মেলন  স্বপন ফকিরের আর্থিক সহায়তা পেল ছাত্র আন্দোলনে আহত আরও ৯ বন্যার্তদের সহায়তায় টাঙ্গাইলে চ্যারিটি কনসার্ট বল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদের বিরুদ্ধে ৭ সদস্যের দূর্নীত

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত । এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

নির্মান ও ডিজাইন : মঈনুল ইসলাম, পাওয়ার বাই: জিরোওয়ানবিডি